আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি বেটারের একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও বাংলায় সম্পূর্ণ বেটিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার অধিকার আছে। সেই বিশ্বাস থেকেই Bajliv-এর যাত্রা শুরু।
Bajliv-এর লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ ও বিনোদনমূলক বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। বিদেশি প্ল্যাটফর্মে ভাষার বাধা, পেমেন্টের জটিলতা আর দেরিতে টাকা পাওয়ার যে হতাশা — সেটা দূর করতেই আমরা কাজ করছি।
একজন চা-বাগান শ্রমিক থেকে শুরু করে ঢাকার অফিসকর্মী — সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।
২০২১ সালে যখন Bajliv-এর পরিকল্পনা শুরু হয়, তখন মূল প্রশ্ন ছিল একটাই — বাংলাদেশের বেটাররা কী চান? উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল, সমস্যাগুলো বারবার একই: বাংলায় ইন্টারফেস নেই, Mobile Pay-Nagad সাপোর্ট নেই, টাকা তুলতে দিনের পর দিন লাগে, সাপোর্টে ইংরেজিতে কথা বলতে হয়।
Bajliv এই সমস্যাগুলো সমাধান করতেই তৈরি। শুধু আরেকটা বেটিং সাইট বানানো আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না — আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা প্ল্যাটফর্ম বানাতে যেটা সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের মানুষের নিজের।
Bajliv-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো যা আমাদের বাংলাদেশের বেটারদের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে
Bajliv-এ পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায়। নেভিগেশন, বেট স্লিপ, সাপোর্ট চ্যাট, নোটিফিকেশন — সবকিছু মাতৃভাষায়। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি শব্দ সাজানো হয়েছে।
Mobile Pay, Nagad, Rocket — বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিগুলো Bajliv-এ সরাসরি সাপোর্ট করে। মাত্র ৳২০০ থেকে ডিপোজিট করুন, কোনো ঝামেলা নেই।
জেতার পর অপেক্ষা নয় — Bajliv-এ সাধারণত ১৫ মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অকারণ দেরি নেই।
যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলুন — লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা হেল্প সেন্টার। রাত ৩টায়ও সাহায্য পাওয়া যাবে, কারণ আমাদের সাপোর্ট দল সবসময় প্রস্তুত।
Bajliv-এ প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ। টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনও চালু রাখতে পারবেন।
রিয়েল-টাইম অডস আপডেট ও যেকোনো মুহূর্তে ক্যাশ-আউটের সুবিধা। ম্যাচের মাঝপথে সুবিধামতো বেট বন্ধ করুন এবং নিশ্চিত লাভ ঘরে নিয়ে যান।
Bajliv শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি একটি প্রতিশ্রুতি। আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে কিছু মূলনীতি কাজ করে।
Bajliv-এ কোনো লুকানো শর্ত নেই। বোনাসের নিয়ম, উইথড্রোয়ালের প্রক্রিয়া, অডসের গণনা পদ্ধতি — সবকিছু পরিষ্কার বাংলায় লেখা আছে। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই দীর্ঘমেয়াদি আস্থার ভিত্তি।
প্রতিটি ফিচার তৈরির আগে আমরা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের মতামত নিই। তাদের প্রয়োজন, তাদের সমস্যা — এগুলোই আমাদের উন্নয়নের দিকনির্দেশনা।
Bajliv-এ বেটিংকে আমরা বিনোদন হিসেবে দেখি, আসক্তি হিসেবে নয়। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে স্ব-নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম, ব্যয়সীমা নির্ধারণের সুযোগ এবং সচেতনতামূলক তথ্য সবসময় পাওয়া যায়।
Bajliv-এর সব গেম ও বেটিং ফলাফল সার্টিফাইড র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর (RNG) দিয়ে নিয়ন্ত্রিত। কোনো ম্যানিপুলেশন নেই, কোনো পক্ষপাত নেই — সবার জন্য সমান সুযোগ।
Bajliv প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাকের ভিত্তিতে প্রতি মাসে নতুন ফিচার যোগ করা হয়, বাগ ঠিক করা হয়, পেমেন্ট পদ্ধতি সহজ করা হয়।
কিভাবে একটি স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠল
বাংলাদেশের বেটারদের সমস্যা বুঝতে গিয়ে একটি দল উপলব্ধি করল — একটি সত্যিকারের বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম দরকার। পরিকল্পনা শুরু হলো, দল গড়া হলো।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাইলট পরীক্ষা চালানো হলো। নেটওয়ার্ক অপটিমাইজেশন, Mobile Pay ইন্টিগ্রেশন এবং বাংলা ইন্টারফেস তৈরি হলো।
Bajliv আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো। প্রথম মাসেই ১০,০০০-এর বেশি ব্যবহারকারী নিবন্ধন করলেন। ক্রিকেট বেটিং বিভাগটি তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা পেল।
বেটিং-এর পাশাপাশি লাইভ ক্যাসিনো ও জ্যাকপট বিভাগ যোগ হলো। Nagad ও Rocket পেমেন্ট সাপোর্ট এলো। সারাদেশে ব্যবহারকারী সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল।
Bajliv বাংলাদেশের সব ৬৪ জেলায় সক্রিয় ব্যবহারকারী নিয়ে মাইলফলক স্পর্শ করল। PWA মোবাইল অ্যাপ, ক্যাশ-আউট ফিচার ও উন্নত সাপোর্ট সিস্টেম চালু হলো।
আরও উন্নত ফিচার, আরও বেশি গেম, আরও দ্রুত পেমেন্ট — Bajliv প্রতিদিন আরও ভালো হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ার সেরা বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া।
Bajliv-এর পেছনে যে মানুষগুলো অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট ও ক্লাউড বিশেষজ্ঞ। Bajliv-এর পুরো প্রযুক্তি অবকাঠামো তাঁর নেতৃত্বে তৈরি।
UX গবেষক ও প্রোডাক্ট ডিজাইনার। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা তাঁর প্রধান কাজ।
কাস্টমার সাপোর্ট বিশেষজ্ঞ। ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট দলকে নেতৃত্ব দেন। গড় রেসপন্স টাইম ২ মিনিটের নিচে রাখার কৃতিত্ব তাঁর।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের কথা উঠলে এখন অনেকের মাথায় প্রথমে আসে Bajliv-এর নাম। এটা রাতারাতি হয়নি। কয়েক বছরের ধারাবাহিক পরিশ্রম, ব্যবহারকারীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার মাধ্যমে এই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
Bajliv-এর প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও বাংলাদেশের মানুষ। তাঁরা জানেন যে দেশের সব জায়গায় হাই-স্পিড ইন্টারনেট নেই। জানেন যে বেশিরভাগ মানুষ স্মার্টফোন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। জানেন যে Mobile Pay আর Nagad-ই মানুষের আর্থিক লেনদেনের প্রধান মাধ্যম। এই বোঝাপড়ার কারণেই Bajliv-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়।
Bajliv-এর প্রযুক্তি আন্তর্জাতিক মানের হলেও এর ডিজাইন সম্পূর্ণ স্থানীয়। ইন্টারফেস বাংলায়, পেমেন্ট বাংলাদেশি পদ্ধতিতে, সাপোর্ট বাংলা ভাষায়। কিন্তু সার্ভার সুরক্ষা, ডেটা এনক্রিপশন এবং গেম যাচাইকরণ — এগুলো আন্তর্জাতিক মানের। এই সমন্বয়টাই Bajliv-কে অনন্য করে তোলে।
অনেক মানুষ অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মকে সন্দেহের চোখে দেখেন। সেই সন্দেহের কারণ আছে — অনেক প্ল্যাটফর্ম টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়, বা জেতার পরও পরিশোধ করে না। Bajliv এই সংস্কৃতি বদলাতে চায়। আমাদের প্রতিটি বিজয়ীর পরিমাণ প্রকাশ্যে দেখানো হয়, উইথড্রোয়াল ট্র্যাক করা যায়, এবং কোনো বিরোধ হলে স্বাধীন তদন্তের সুযোগ রাখা হয়।
Bajliv বিশ্বাস করে যে একটি দায়িত্বশীল বেটিং প্ল্যাটফর্ম সমাজের ক্ষতি না করে বরং বিনোদন প্রদান করে। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে ব্যয়সীমা নির্ধারণ, স্ব-বিরতির সুযোগ এবং সচেতনতামূলক তথ্য সবসময় থাকে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের নিবন্ধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়।
Bajliv এখানেই থামছে না। আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি খেলাধুলার কভারেজ, আরও উন্নত লাইভ স্ট্রিমিং, নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি এবং আরও দ্রুত সাপোর্ট নিয়ে আসার পরিকল্পনা আছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয় — দক্ষিণ এশিয়ার সেরা বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে Bajliv এগিয়ে যাচ্ছে।
Bajliv-এ বিশ্বাস রাখার কারণগুলো
Bajliv সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা হয়